TrueTransfer Shops

আপনার দোকান, টেলিগ্রামের ভিতরেই।

যা বেচেন তা নিজের একটা পাতায় তুলুন। একটা লিংক দিন। টাকা সোজা আপনার ওয়ালেটে আসবে।

ওয়েবসাইট বানাতে হবে না। দোকানের সফটওয়্যার বসাতে হবে না। কোড এক লাইনও না। মেসেজ পাঠাতে জানলে দোকানও খুলতে জানেন।

টেলিগ্রামে আগে থেকেই আছেন? বটকে শুধু /shop পাঠিয়ে দিন।

A shop page with T-shirts, a hoodie and a cap, each with a photograph and a price
সত্যিকারের দোকান, খদ্দেরের চোখে যেমন দেখায়। নাম, রং আর ভিতরের জিনিস — সবই আপনার।

অনলাইনে বিক্রি, ঝামেলার অংশটা বাদ দিয়ে।

তিনটে জিনিস, আর ভাবার কিছু নেই।

🏷️

নিজের একটা দোকান

আপনার নাম, আপনার রং, আপনার ছবি। খদ্দের টেলিগ্রামে, বা যে কোনও ব্রাউজারে, একটা লিংক থেকেই খোলে।

💳

যে পেমেন্টে মানুষ ভরসা করে

পর্দার নিচ থেকে উঠে আসে, ফোনে যে কোনও কিছু কেনার মতোই। দোকানের নাম, কী কিনল, ডেলিভারি, মোট, আর একটা বোতাম।

👛

যে টাকা আপনারই

পেমেন্ট খদ্দেরের কাছ থেকে সোজা আপনার নিজের ওয়ালেটে যায়। আমরা এক সেকেন্ডের জন্যও ধরে রাখি না, তাই আটকানোর বা হারানোর কিছুই আমাদের হাতে নেই।

শুরু করা

এক কাপ চা হতে যত সময় লাগে।

পুরোটাই টেলিগ্রামের ভিতরে, নিজের ফোনেই করবেন।

  1. 1

    বটকে /shop পাঠান

    টেলিগ্রামে @Truetransfer_bot খুলুন আর /shop কথাটা পাঠান। একটা বোতাম দিয়ে উত্তর আসবে। চাপুন, দোকানের ব্যবস্থাপনা খুলে যাবে — এর পর সবকিছু ওখান থেকেই চালাবেন।

  2. 2

    নাম বাছুন আর জিনিস তুলুন

    দোকানের জন্য ছোট একটা নাম নিন। তারপর প্রথম জিনিসটা তুলুন: একটা ছবি, একটা নাম, একটা দাম, আর যে পছন্দগুলো থেকে লোকে বাছবে, যেমন S, M আর L।

  3. 3

    লিংকটা ছড়িয়ে দিন

    আপনার কাছে একটা লিংক থাকে। চ্যানেলে, গ্রুপে, প্রোফাইলে, কোনও মেসেজে, পোস্টারে — যেখানে খুশি দিন। ব্যবস্থা বলতে এটুকুই।

বোতামটা টেলিগ্রাম খুলে বটটা আপনার হয়ে চালু করে দেয়। /shop লেখার সঙ্গে এর কোনও তফাত নেই।


আপনার দিক

সবটাই এক ছোট জায়গায়।

ছ’টা জিনিসে চাপ দেবেন, মেনুর আড়ালে কিছু লুকনো নেই: কী বেচেন, কোন অর্ডার এল, দোকান দেখতে কেমন, আপনার কাজ কী, টাকা, আর যে লিংক ধরে লোকে আপনার কাছে পৌঁছয়।

পুরোটা টেলিগ্রামের ভিতরেই থাকে। আলাদা অ্যাপ নামাতে হয় না, পাসওয়ার্ড ভাবতে হয় না, কম্পিউটারে কোনও ড্যাশবোর্ডে ঢুকতেও হয় না।

আপনার দোকানের ব্যবস্থাপনা। টেলিগ্রাম আগে থেকেই জানে আপনি কে, তাই লগইন করার কিছু নেই।
আপনার দোকানের ব্যবস্থাপনা। টেলিগ্রাম আগে থেকেই জানে আপনি কে, তাই লগইন করার কিছু নেই।
আপনি যা বেচেন

একটা জিনিস তুলুন। তাকে তুলে রাখুন।

প্রতিটায় আটটা পর্যন্ত ছবি, আর সত্যিকারের দোকানের যত জিনিস দরকার তত।

নাম আর দাম দিন। জিনিসগুলো তাকে ভাগ করুন — টি-শার্ট, টুকিটাকি, যা নামেই ডাকুন — আর টেনে নিজের পছন্দের ক্রমে সাজান। সাইজ আর রঙের মতো পছন্দ রাখুন, আর দরকার হলে কোনওটায় একটু বেশি নিন: শুধু XL +50 লিখলেই হয়।


পেমেন্ট

একটা কার্ট। একবার পেমেন্ট। একটা ঠিকানা।

কুড়িটা টি-শার্ট মানে একটা অর্ডার, কুড়িটা নয়।

খদ্দের যা চায় কার্টে রাখে, সংখ্যা বদলায়, আর একবারই পেমেন্ট করে। নাম, ফোন আর ঠিকানাও একবারই লেখে — দেশটা তালিকা থেকে বাছে, তাই ফোনের কোড আর ডেলিভারির দাম নিজে থেকেই বসে যায়।

পেমেন্ট কীভাবে হয়

পেমেন্টের দুটো রাস্তা। দুটোই একই জায়গায় পৌঁছয়।

  1. 1

    খদ্দের পেমেন্ট করুন-এ চাপ দেয়

    পর্দার নিচ থেকে একটা পাতা উঠে আসে। তাতে আপনার দোকানের নাম, কী কিনছে, ডেলিভারির খরচ আর মোট লেখা থাকে। ওয়ালেট, নেটওয়ার্ক বা কয়েনের কোনও কথা নেই — শুধু একটা দাম আর একটা বোতাম।

  2. 2

    কার্ডে দেয়, নয়তো ওয়ালেট থেকে

    কার্ডে দিলে আমাদের পেমেন্ট সংস্থার ঘরে কার্ডের তথ্য দেয়, টাকাটাও সেখানেই বদলে যায়। ওয়ালেট থেকে দিলে নিজের ওয়ালেট অ্যাপে চাপ দেয় বা পর্দার চৌকো ছবিটা স্ক্যান করে — পরিমাণটা আগে থেকেই বসানো, তাই ভুল টাইপ হওয়ার উপায়ই নেই।

  3. 3

    আপনার ওয়ালেটে ঢোকে, আর রসিদ দুজনেই পান

    টাকা ঢোকার মুহূর্তেই টেলিগ্রামে আপনার কাছে খবর আসে: কী কেনা হল, কার কাছে যাবে, তার ফোন আর ঠিকানা। খদ্দেরও রেখে দেওয়ার মতো একটা রসিদ পায়, লিংক হিসেবে বা টেলিগ্রামেই।

লোকে কী দিয়ে দেয়। ডিজিটাল ডলারে — USDC বা USDT। দুটোরই দাম সব সময় এক মার্কিন ডলারের কাছাকাছি, তাই দোকান টাকা, দং বা ক্রোনায় দাম লিখেও এমন কিছু পায় যা রাতারাতি নড়ে না।

টাকা কোথায় যায়। আপনি যে ওয়ালেটের ঠিকানা দিয়েছেন সোজা সেখানে। আমাদের কোনও অ্যাকাউন্ট ছুঁয়ে যায় না, কারণ আমাদের ওরকম অ্যাকাউন্টই নেই। কার্ডে পেমেন্টের একটা ছোট সর্বনিম্ন আছে, সেটা কার্ড সংস্থাই ঠিক করে।

যে রসিদ আপনার খদ্দের রেখে দেন

প্রতিটা অর্ডারের নিজের একটা পাতা থাকে: কী কিনল, কত দিল, কোথায় যাবে, আর একটা বোতাম যেটা আপনার সঙ্গে কথা খুলে দেয়। চাইলে বটকে বলে টেলিগ্রামেও আনিয়ে নিতে পারে।

যিনি টেলিগ্রামে একেবারেই নেই তাঁর জন্যও চলে — তিনি শুধু লিংকটা খোলেন।

A receipt showing the shop name, the item, delivery, the total, and buttons to message the seller
একটা রসিদ, আর বিক্রেতা এক চাপ দূরে।

ডেলিভারি

যা সত্যিই খরচ হয় ততটাই নিন।

নিজের শহরের জন্য এক দাম, নিজের দেশের জন্য আর এক, অঞ্চলের জন্য আর এক, আর বাকি সব জায়গার জন্য একটা। সবচেয়ে কাছেরটাই চলে, তাই একই পাড়ার খদ্দের পৃথিবীর উল্টো দিকের লোকের সমান দেয় না।

চাইলে একটা অঙ্কের উপরে ডেলিভারি ফ্রিও করে দিতে পারেন। আর ঠিকানাটা যদি এমন জায়গার হয় যেখানে আপনি পাঠান না, দোকান চুপচাপ কিছু না নিয়ে সেটাই বলে দেয়।

কোথায় যাবেআপনি নেন
ঢাকা$4.00
সারা বাংলাদেশ$9.00
দক্ষিণ এশিয়া$12.00
বাকি সব জায়গা$24.00

এটা শুধু একটা নমুনা। নিজেরটা আপনি লিখবেন — শহর, পিন কোড, দেশ বা দেশের দল ধরে।

The delivery screen showing several tiers, each with the places it covers and a price
আপনার ডেলিভারির দাম, যত ধাপ লাগে তত।
অর্ডার

পার্সেল পাঠাতে যা যা লাগে, সব এখানেই।

প্রতিটা অর্ডারে থাকে তার নম্বর, কোন দিন কখন এসেছে, ভিতরে কী ছিল, কার জন্য, টেলিগ্রামের নাম, ফোন, ইমেল আর দেশসহ পুরো ঠিকানা — ঠিক সেভাবে সাজানো যেভাবে আপনি লেবেলে লিখতেন, সঙ্গে একটা বোতাম যা পুরোটা কপি করে দেয়।

এর যে কোনওটা দিয়ে খুঁজুন: নাম, ঠিকানার টুকরো, পিন কোড, ফাঁক দিয়ে বা ছাড়া ফোন নম্বর, কিংবা অর্ডার নম্বর। দিন ধরে ছাঁকুন। আর যখন খুশি পুরোটা স্প্রেডশিটে নামিয়ে নিন।

অর্ডার শেষ হলেই খদ্দেরের তথ্য মুছে যায়। আমরা রাখি কী বিক্রি হল আর কত দামে। কোথায় থাকেন সেটা রাখি না।

An order showing the order number, when it was placed, the buyer, their telephone and their full address
একটা অর্ডার, আর যিনি পৌঁছে দেবেন তাঁর যা যা লাগে।

নিজের মতো করে নিন

এটা আপনার দোকানের মতো দেখাক, আমাদের মতো নয়।

বোতামের জন্য যে কোনও রং বাছুন। নিজের লোগো দিন। গোটা দোকানের পিছনে একটা ছবি বসান। হালকা না গাঢ় পড়া হবে ঠিক করুন, নয়তো খদ্দেরের ফোনের উপরেই ছেড়ে দিন।

কোন মুদ্রায় দাম লিখবেন আর পেমেন্টের কথাগুলো কোন ভাষায় আসবে, দুটোই বাছুন। আপনি যা লেখেন তা আপনার নিজের ভাষাতেই থাকে — আমরা কখনও আপনার হয়ে অনুবাদ করি না।

চাইলে নিজের ঠিকানাও। টেলিগ্রাম লিংক হিসেবে দিন, নিজের টেলিগ্রাম অ্যাপে বসান, বা নিজের ওয়েব ঠিকানা এদিকে ঘুরিয়ে দিন। খদ্দেরের আমাদের ঠিকানা দেখার দরকারই নেই।

The Look screen with a live preview, light and dark options, a colour picker and a logo upload
সামনেই নমুনা, খদ্দের যা দেখবেন আপনিও তা-ই দেখে নিন।
খরচ কত

মাসিক কিছু নেই। খুলতেও কিছু লাগে না।

বিক্রি হলে তবেই দেবেন।

1.5%

আপনার দোকানের প্রতিটা বিক্রিতে। আমরা এটুকুই নিই।

0.5%

আপনার দামকে খদ্দের যে টাকায় দেন সেই টাকায় বদলানোর জন্য।

$0

মাসে — খুলতে, জিনিস তুলতে, আর খোলা রাখতে।

খদ্দের একটাই মোট দেখেন আর ঠিক সেটাই দেন। আমাদের ভাগটা বিক্রির ভিতর থেকেই যায়, উপরে বসে না। চাইলে প্রতিটা দামে নিজের বাড়তিও জুড়তে পারেন, তাহলে যা লিখবেন তাই আপনার থাকবে।


আপনার টাকা

আমরা কখনও ধরে রাখি না।

এই পাতার আর সব কিছুর চেয়ে এটাই বেশি জরুরি, তাই সোজাসুজি বলি।

কেউ আপনাকে টাকা দিলে সেটা তার কাছ থেকে আপনার ওয়ালেটে যায়। পথে TrueTransfer-এর কোনও অ্যাকাউন্টে থামে না, কারণ ওরকম অ্যাকাউন্ট নেই-ই। আমরা সেটা আটকাতে, খরচ করতে, ধার দিতে বা হারাতে পারি না; কাল আমরা উবে গেলেও যে টাকা আপনার, সেটা আপনারই থাকবে।

এর উল্টো দিকটা হল, পাঠানো পেমেন্ট আর ফেরানো যায় না। এই হল বদল — আর ঠিক এই কারণেই কেউ আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা টেনেও নিতে পারে না।

আমরা আপনার কাগজপত্র চাই না। পাসপোর্ট না, সেলফি না, ঠিকানার প্রমাণও না। কোনওদিন কাউকে সেবা দিতে না পারলে সেবা দেওয়া বন্ধ করি — তাঁর টাকা কখনও আটকে রাখি না।

যে প্রশ্নগুলো প্রায়ই আসে

কোডিং জানতে হবে?

না। বসানোর কিছু নেই, সাঁটার কিছু নেই, আর কোনও রকম কোডও নেই। টেলিগ্রামে বটকে /shop পাঠান, একটা নাম বাছেন, জিনিস তোলেন, আর লিংকটা ছড়িয়ে দেন।

দোকান খুলতে কত লাগে?

কিছুই না। মাসিক খরচও নেই, খোলা বা জিনিস তোলার জন্যও কিছু নেওয়া হয় না। আপনার দোকানের প্রতিটা বিক্রিতে আমরা ১.৫% নিই, আর আপনার দামকে খদ্দেরের টাকায় বদলানোর জন্য আরও ০.৫%।

খদ্দের কীভাবে পেমেন্ট করেন?

ব্যাংকের কার্ডে, নয়তো তাঁর আগে থেকেই থাকা কোনও ক্রিপ্টো ওয়ালেট থেকে। পর্দার নিচ থেকে একটা পেমেন্টের পাতা উঠে আসে, তাতে আপনার দোকানের নাম, কী কিনলেন, ডেলিভারির খরচ আর মোট থাকে। অ্যাকাউন্টও লাগে না, কিছু বসাতেও হয় না।

টাকা কোথায় যায়?

আপনি যে ওয়ালেটের ঠিকানা দিয়েছেন সোজা সেখানে — Polygon-এ USDC বা TON-এ USDT হিসেবে। কখনও TrueTransfer-এর কোনও অ্যাকাউন্ট ছুঁয়ে যায় না, কারণ ওরকম অ্যাকাউন্টই নেই। আমরা সেটা আটকাতে, খরচ করতে বা হারাতে পারি না।

একসঙ্গে কয়েকটা জিনিস কেনা যায়?

যায়। যা চান কার্টে রাখেন, সংখ্যা বদলান, আর একবারই পেমেন্ট করেন। কার্টে যত জিনিসই থাক, নাম-ফোন-ঠিকানা একবারই লেখেন, আর ডেলিভারি প্রতি অর্ডারে একবারই ধরা হয়।

জায়গা ভেদে আলাদা ডেলিভারি নেওয়া যায়?

যায়। নিজের শহর, নিজের দেশ, একটা অঞ্চল আর বাকি সব জায়গার জন্য দাম রাখুন। সবচেয়ে নির্দিষ্টটাই চলে। একটা অঙ্কের উপরে ফ্রিও করা যায়, আর ঠিকানাটা যদি এমন জায়গার হয় যেখানে পাঠান না, দোকান সেটা বলে দেয়।

নিজের ওয়েবসাইট বা ডোমেইন লাগবে?

না। দোকানটা টেলিগ্রাম লিংক হিসেবেই দিতে পারেন। আগে থেকে ওয়েব ঠিকানা বা নিজের টেলিগ্রাম অ্যাপ থাকলে যে কোনওটা দোকানের দিকে ঘুরিয়ে দিন, খদ্দের আমাদের ঠিকানা কখনও দেখবেন না।

কী কী বেচতে পারি?

সাধারণ জিনিস আর সেবা। দোকান খোলার সময় নিজের কাজের একটা বর্ণনা বাছেন। যেসবে আমরা সাহায্য করতে পারি না তার একটা ছোট তালিকা আছে, আর সেটা ওখানেই আটকে যায় — সব কাজ সেরে ফেলার পরে নয়।

পরিচয়পত্র পাঠাতে হবে?

না। পাসপোর্ট না, সেলফি না, ঠিকানার প্রমাণও না। আমরা পরিচয়ের কাগজ একেবারেই জমা করি না।

পেমেন্ট ফেরানো যায়?

না। ব্লকচেইনে নিশ্চিত হয়ে যাওয়া পেমেন্ট চূড়ান্ত, চার্জব্যাকও হয় না। কিছু নিশ্চিত হওয়ার আগেই দুই পক্ষকে এটা দেখানো হয়। এর মানে এটাও যে কেউ আপনার ওয়ালেট থেকে টাকা টেনে নিতে পারবে না।


C.guideCoverAlt
সঙ্গে নিয়ে যান

এই সবটাই, কাগজে ছাপা।

এই পাতার প্রতিটা ধাপ, পরপর লেখা, ওই একই ছবি দিয়ে — /shop পাঠানো থেকে প্রথম পার্সেল পাঠানো পর্যন্ত। ছাপিয়ে নিন, ফোনে রেখে দিন, বা এমন কাউকে দিন যিনি প্রথমবার দোকান খুলছেন।

A4 · বিনামূল্যে · আগে কিছু ভরতে হয় না

নিজের দোকান খুলুন।

কয়েক মিনিট, নিজের ফোনে, যে অ্যাপটা এমনিতেই খোলা আছে তার ভিতরেই।

কিংবা নিজেই Telegram খুলে @Truetransfer_bot-কে /shop পাঠিয়ে দিন।